শিক্ষক দিবসের মহতী মহেন্দ্রক্ষণে কিছু আলোচনা - আরিফুল ইসলাম সাহাজি


একটু দেরি করে হলেও আজ শিক্ষক দিবসের মহতী মহেন্দ্রক্ষণে কিছু লিখবার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি ।

অনন্ত অনাদিকাল সেই একলব্য পর্ব হতেই শিষ্যের কাছে একজন আদর্শ গুরু ঈশ্বরের পাথিব প্রতিমূর্তি ।ম্যাৎস্যনায়ের যুগেও একজন গুরু শিষ্যের পীড়িত হৃদয়ে জ্বালাতে পারেন জাগরণ মন্ত্র ।কালক্রমে সেটায় হয়ে ওঠে শিষ্যের জীবনের শ্রেষ্ঠ কথামৃত ।
তবে ইষ্ৎ ঘোলাটে সময় এখন বন্ধু ।বিবর্তিত হতে হতে শুভকর সবকিছু আজ অতীতচারি নিঃশব্দের তর্জনীতে সময়ের জলছবি ।গোধূলির নেতিয়ে পড়া আলোতে আজ আমরা পৃথিবী দেখি ।
                ''  হায়েনার লালচোখ আজ বড় উজ্জ্বল
                   কোটর হতে ঝরে আগুন ।''
হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের অন্তর্দৃষ্টি ,মূখ বধির এর মত নির্বাক হয়ে যাচ্ছি ক্রমশ , লয় হচ্ছে সাহসী কলমের শত সহস্র লিখিত বর্ণালী ।

যাইহোক , অন্ধকার যতই ঘনীভূত হোক না কেন , যতই শতাব্দীর শবদেহ বহন করার অপচেষ্টা করুক না কেন , একজন আদর্শ গুরু ধংসের কিনারে বসেও দেখাতে পারেন সুদিনের সুপ্রভাত । তাই আজ করি আহ্বান :
           '' হে অনিকেত পথের অভিযাত্রী
               ঐ শোন শঙ্খধ্বনি ,
                আদিনান্ত মধ্যনিশীথ আরক্ত
                  নিঃশব্দে মৃত্যুর আনাগোনা
                   ঐ বাজে প্রলয় ডঙ্কা ।

                   সপ্নায়াত ছায়ামূর্তি , পথ হারিয়ে একা
                    আজ পথ দেখাও ,
                     করি উদাত্ত আহ্বান ।
     
   (উদাত্ত আহ্বান -
              আরিফুল ইসলাম সাহাজি )

মন্তব্যসমূহ